
পাবনা প্রতিনিধিঃ
গতকাল র্যাবের বিশেষ অভিযানে ২০ বছর আত্মগোপনে থাকা নদির মাফিয়া খ্যাত কাকন বাহিনীর প্রধান, ইঞ্জিনিয়ার কাকন র্যাবের হাতে আটকের খবর পাওয়া গেছে।
আরো যানা যায় যে, লালপুরে কাকন বাহিনীর আস্তানায় অসংখ্য সন্ত্রাসী ও অস্ত্রের ভান্ডার রয়েছে এবং অনেক আওয়ামী নেতাও সেখানে কাকনের ছত্র ছায়ায় আছে।
জনমনে প্রশ্ন যে, তাকে আটকের পাশাপাশি ঐ অস্ত্রগুলোও উদ্ধার করা খুবই জরুরী কারণ, সেই অস্ত্র দিয়ে যেকোন সময় নাশকতামূলক কর্ম কান্ড করার আশংকা রয়েছে,
আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যে, কাকন বাহিনীর সিনিয়র কিডন্যাপারের দায়িত্বে থাকা আবু বক্কর যত কিডন্যাপ করা হয় তার দায়িত্বে এবং আওয়ামী যত নেতারা তাদের শেলটারে রয়েছে তাদেরকে অস্ত্রের ট্রেনিং দেয় এই আবু বকর, ঝড়ু মস্তান তার দায়িত্বে থাকে ভিডন্যাপারের টাকা এবং নদির কালেকশন করা।
ধারণা করা হচ্ছে যে কিছুদিন আগে রাজশাহী থেকে আটক হয় শুটার আলমগীর তার দেওয় তথ্যমতে কাকন আটক হয় এবং এই সকল আস্তানার খোজ পাওয়া যায়।
কাবান বাহিনীর আরেক ক্যাডার শওদাগর ও বাপ্পির দায়িত্ব থাকে মার্ডার এবং মারধর করা।
আরো জানা যায় যে,
২৪ পরবর্তি সময়ে থানা আট থেকে লুট হওয়া অনেক অস্ত্র এং এখনো যাবান বাহিনির কাছে রয়েছে যাকিনা দারুণ ভাবে প্রশাসন সহ সাধারন মানুষ হুমকির মুখে এগুলো উদ্ধার করা খুবই জরুরী
আরো জানা যায় যে, কাকন বাহিনির ললপুরের আস্তানায় ১৪-১৫ জনের মতো কিডন্যাপ হওয়া ব্যাক্তি আছে যাদের মধ্যে ৩ জন গতকাল গুলি বিদ্ধ অবস্থায় পালিয়ে আসতে সক্ষম হয় এবং বাকিদের ইন্ডিয়ায় পাঠানো হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে, পালিয়ে আসা ব্যাক্তিদের
কিছুদিন আগে ১২শ প্রশাসনের যৌথ বাহিনীর সদস্য নিয়ে অভিযান চালিয়েও কাকন বাহিনীর কাউকেই আটক করা যায়নি।
তাই অবিলম্বে তার যত আস্তানা রয়েছে দ্রুত আবারও অভিজান চালিয়ে তার আধিপত্যকে বিনষ্ট করে এলাকায় শান্তি ফিরানোর জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।